ই-গভর্নেন্স ও রংপুর সিটি কর্পোরেশন

সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে একটি অপরিহার্য প্রক্রিয়া হলো সিটি কর্পোরেশন এবং নাগরিকদের মধ্যে অনবরত আলাপ-আলোচনা এবং ঘনিষ্ট যোগাযোগ অব্যাহত রাখা। নাগরিকদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনার জন্য একটি কার্যকর  হাতিয়ার হলো ওর্য়াড লেভেল কো-অর্ডিনেশন কমিটি  (ডব্লিউএলসিসি), সিভিল সোসাইটি কো-অর্ডিনেশন কমিটি (সিএসসিসি), গ্রিভেন্স রিড্রেস সেল (জিআরসি)  এবং সিটি কর্পোরেশন রিসোর্স সেন্টার  (সিআরসি) এর মত গুরুত্বপূর্ণ র্কাযক্রম, যদিও এতো সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণকে সীমিত আকারে রাখা হয়। গুণীজন সভা এমন একটি জনসভা যেখানে, সাধারণ মানুষের সমাগম হয় অনেক বেশী। এক কর্মসূচির মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন তার হালনাগাদ তথ্যের প্রচার, কিছু নির্বাচিত প্রকল্পের বিষয়, সিটি কর্পোরেশনের নীতি,   উন্নয়ন প্রকল্প ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় সর্ম্পকে সাধারণ নাগরকিদেরকে অবহিত করেন যা তাদের জীবনমানকে প্রভাবিত করে। জনসাধারণের সাথে এধরণের খোলামেলা আলোচনা করার প্রচেষ্টা বা বিধান এর দ্বারা এটি প্রমানিত হয় যে সিটি কর্পোরশেন মূলত জনগণকে তার উন্নয়ন পরকিল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে মনে করে।

এই গুরুত্বর্পূণ অংশীদার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ১৮.০৫.২০১৭ ইং তারিখের মধ্যে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরীর মাঠে জনগনের মূখোমুখি মেয়র শীর্ষক একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভার আগের দিন এসএমএস ও মাইকিং এর মাধ্যমে সকলকে জানিয়ে দেয়া হবে। উক্ত সভার বিষয় -ই-গভর্নেন্স ও রংপুর সিটি কর্পোরেশন.  সভায় রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সকল জনগণকে উপস্থিত থেকে মুল্যবান মতামত প্রদান করার অনুরোধ করা হল।

 

জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

 

 

 

 

 

 

সোমবার (০৪-০৪-২০১৭ )রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ২নং ওয়ার্ডের জেএসসি ও জেডিসির পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু (প্রতিমন্ত্রী )।  অনুষ্ঠানে অন্যান্যর  মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর মাহবুবার রহমান মঞ্জু,কাউন্সিলর গোলাম সরওয়ার মীর্জা, মেয়র মহোদয়ের একান্ত  সচিব রাশেদুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন, প্রধান হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম মিয়া প্রমুখ।

উল্লেখ্য রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ২নং ওয়ার্ডের ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৪৭জন জেএসসি ও জেডিসির জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে এককালীন বৃত্তি প্রদান করা হয়।